Top Bar
Rent a car services

কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান। কেন কক্সবাজার ভ্রমণ করবেন

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর মধ্যে কক্সবাজার অন্যতম। এটি বিশ্বের longest sea beach in the world হিসেবে পরিচিত। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই Cox’s Bazar sea beach প্রতি বছর লাখো পর্যটককে আকর্ষণ করে।

যদি আপনি একটি budget tour Cox’s Bazar বা family trip Cox’s Bazar প্ল্যান করেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য একদম পারফেক্ট।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত | Cox’s Bazar Sea Beach

কক্সবাজারের মূল আকর্ষণ হলো এর বিশাল সমুদ্র সৈকত। এখানে আপনি একসাথে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত এবং সমুদ্রের বিশালতা উপভোগ করতে পারবেন।

জনপ্রিয় বিচ পয়েন্ট:

  • লাবনী বিচ
  • সুগন্ধা বিচ
  • কলাতলী বিচ

কী করবেন:

  • sunset view Cox’s Bazar উপভোগ
  • ঘোড়ায় চড়া
  • বিচ বাইকিং
  • প্যারাসেইলিং

এই জায়গাটি বিশেষ করে romantic sea beach Bangladesh হিসেবে অনেক জনপ্রিয়।

কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান

ইনানী বিচ ভ্রমণ | Inani Beach Travel Guide

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইনানী বিচ বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় এবং শান্ত একটি সমুদ্রসৈকত। দীর্ঘ ১২০ কিলোমিটার বিস্তৃত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া সত্ত্বেও ইনানীর সৌন্দর্য একদমই অনন্য। এর প্রধান বিশেষত্ব হলো সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগুনতি প্রবাল পাথর

প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য

ইনানী বিচের একপাশে দিগন্তজোড়া নীল জলরাশি আর অন্যপাশে সুউচ্চ সবুজ পাহাড়ের সারি এক অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করে। জোয়ারের সময় পাথরগুলো পানির নিচে লুকিয়ে থাকলেও, ভাটার সময় সেগুলো দৃশ্যমান হয়। পাথরের গায়ে জমে থাকা শ্যাওলা এবং এর খাঁজে খাঁজে ছোট ছোট মাছ ও কাঁকড়ার বিচরণ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এখানকার পানি কক্সবাজারের মূল সৈকতের তুলনায় অনেক বেশি স্বচ্ছ ও নীল।

ভ্রমণের অভিজ্ঞতা

ইনানীতে পর্যটকদের ভিড় কিছুটা কম থাকায় এখানে নিরিবিলি সময় কাটানো যায়। মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে ইনানী যাওয়ার পথটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। একপাশে পাহাড় আর অন্যপাশে সমুদ্রের ঢেউ দেখতে দেখতে যাত্রাটি পর্যটকদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। সূর্যাস্তের সময় আকাশ যখন লালচে রঙ ধারণ করে এবং সেই আভা যখন স্বচ্ছ পানির ওপর পড়ে, তখন এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয়।

হিমছড়ি ও হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান

হিমছড়ির মূল আকর্ষণ হলো এখানকার শীতল পানির ঝরনা। যদিও বর্ষাকালে এই ঝরনা তার পূর্ণ যৌবন ফিরে পায়, বছরের অন্য সময় এটি বেশ শান্ত থাকে। ঝরনার পাশেই রয়েছে একটি সুউচ্চ পাহাড়, যেখানে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশি এবং মেরিন ড্রাইভের সর্পিল পথের এক চমৎকার ‘প্যানোরামিক ভিউ’ দেখা যায়।

হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান

১৯৮০ সালে প্রায় ১,৭২৯ হেক্টর এলাকা জুড়ে হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মূলত একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যা জীববৈচিত্র্যে ভরপুর।

  • উদ্ভিদ ও প্রাণী: এখানে মেহগনি, গর্জনসহ নানা প্রজাতির গাছ এবং প্রচুর বন্যপ্রাণী যেমন—হাতি, মায়া হরিণ, বন্য শুকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

  • ইকোট্যুরিজম: ঘন জঙ্গলে ঘেরা এই উদ্যানে হাইকিং বা বনের ভেতর হাঁটার অভিজ্ঞতা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত এই স্থানটি যারা সমুদ্রের পাশাপাশি পাহাড় ও বন পছন্দ করেন, তাদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য।

কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান

মহেশখালী দ্বীপ

কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। প্রায় ২২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপটি তার বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি, প্রাচীন স্থাপনা এবং লবণ-পানের ঐতিহ্যের জন্য পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

প্রধান আকর্ষণসমূহ

দ্বীপের সবচেয়ে পরিচিত স্থান হলো পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত আদিনাথ মন্দির। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত এই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থানটি স্থাপত্যশৈলী এবং পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এছাড়া দ্বীপটিতে রয়েছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের সুন্দর কিছু প্যাগোডা ও স্বর্ণমন্দির।

প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

মহেশখালীর অর্থনীতি মূলত পান চাষ, লবণ উৎপাদন এবং মৎস্য আহরণের ওপর নির্ভরশীল। এখানকার মিষ্টি পানের খ্যাতি দেশজুড়ে। দ্বীপের একপাশে নীল জলরাশি আর অন্যপাশে ঘন ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও প্যারাবন এক অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করেছে।

সেন্ট মার্টিন ট্যুর গাইড | Saint Martin Island

বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত এই ক্ষুদ্র দ্বীপটি তার স্বচ্ছ নীল জলরাশি, সারি সারি নারিকেল গাছ এবং বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক প্রবালের জন্য পর্যটকদের কাছে স্বপ্নের গন্তব্য।

প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও আকর্ষণ

দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর আদিম ও পরিচ্ছন্ন সৈকত। এখানকার পানি এতই স্বচ্ছ যে সমুদ্রের তলদেশের পাথর ও প্রবাল স্পষ্ট দেখা যায়। সেন্ট মার্টিনের মূল ভূখণ্ড থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত ছেঁড়া দ্বীপ হলো আরেকটি প্রাকৃতিক বিস্ময়, যা কেবল ভাটার সময় দৃশ্যমান হয়। রাতে নীল আকাশের নিচে সমুদ্রের গর্জনে ক্যাম্পিং করা বা স্থানীয় তাজা সামুদ্রিক মাছের স্বাদ নেওয়া পর্যটকদের অন্যতম প্রিয় অভিজ্ঞতা।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ভ্রমণ

এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পরিবেশগত এলাকা। বর্তমানে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারিভাবে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এখানে প্লাস্টিক বর্জন এবং প্রবাল আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত টেকনাফ বা কক্সবাজার থেকে বিলাসবহুল ক্রুজ শিপে করে পর্যটকরা এখানে যাতায়াত করেন।

Saintmartin
Ramu Temple

রামু বৌদ্ধ বিহার

ক্সবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান এবং পর্যটকদের জন্য এক অনন্য ঐতিহাসিক গন্তব্য। এখানে রয়েছে অসংখ্য বৌদ্ধ বিহার বা ‘কিয়াং’, যা তার কারুকার্যময় স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত।

রামু বৌদ্ধ বিহারের প্রধান আকর্ষণ:

১. বিংশতি রত্ন বৌদ্ধ বিহার: এটি রামুর অন্যতম সুন্দর বিহার, যা তার সূক্ষ্ম কাঠের খোদাই করা কারুকার্যের জন্য পরিচিত। ২. ১০০ ফুট লম্বা বুদ্ধ মূর্তি: রামুর উত্তর মিঠাছড়িতে অবস্থিত গৌতম বুদ্ধের এই বিশাল শায়িত মূর্তিটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম। পাহাড়ের ওপর অবস্থিত সোনালী রঙের এই মূর্তিটি পর্যটকদের মূল আকর্ষণ। ৩. রামু সীমা বিহার: এটি এখানকার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ বিহার। এখানে প্রাচীন আমলের বুদ্ধ মূর্তি এবং বৌদ্ধ শাস্ত্রের দুর্লভ পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে।

মেরিন ড্রাইভ | Marine Drive Experience

কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত মেরিন ড্রাইভ বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রতীরবর্তী সড়ক। প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি একদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি আর অন্যদিকে সুউচ্চ সবুজ পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে, যা একে এশিয়ার অন্যতম সুন্দর ড্রাইভওয়েতে পরিণত করেছে।

সড়কের বিশেষত্ব ও সৌন্দর্য

২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া এই সড়কটি পর্যটনের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। খোলা জিপ (চাঁদের গাড়ি) বা স্কুটারে করে এই পথে ভ্রমণ করা পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। যাত্রাপথে পাহাড় থেকে নেমে আসা ছোট ছোট ঝরনা, সমুদ্রের গর্জন এবং রাস্তার দুই পাশের সারি সারি নারিকেল ও ঝাউবন এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে।

উল্লেখযোগ্য যাত্রাপথ

মেরিন ড্রাইভ দিয়ে যাওয়ার পথে বেশ কিছু জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পড়ে, যেমন:

  1. হিমছড়ি: পাহাড় ও ঝরনার জন্য বিখ্যাত।
  2. ইনানী: প্রবাল পাথরের সৈকত।
  3. পাটোয়ারটেক: সমুদ্র ও পাথরের দারুণ এক সমাহার।

যাতায়াত ও টিপস

কক্সবাজারের কলাতলী পয়েন্ট থেকে এই যাত্রা শুরু হয়। সূর্যাস্তের সময় এই পথে ভ্রমণ করা সবচেয়ে জাদুকরী, কারণ তখন পাহাড়ের আড়াল থেকে সমুদ্রের বুকে সূর্যকে মিলিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে ভ্রমণের সময় পরিবেশ রক্ষায় সচেতন থাকা এবং প্লাস্টিক বর্জন করা একান্ত প্রয়োজন।

কক্সবাজার ভ্রমণের যাতায়াত ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং বৈচিত্র্যময়। আপনার পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী আপনি বাস, বিমান বা ট্রেনের মাধ্যমে ঢাকা থেকে সরাসরি পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পৌঁছাতে পারেন। বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

১. বাসে ভ্রমণ (Roadway)

ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো বাস। ঢাকার গাবতলী, সায়দাবাদ বা কলাবাগান থেকে প্রতিদিন অসংখ্য বাস ছেড়ে যায়।

  • বাসের ধরন: নন-এসি থেকে শুরু করে বিলাসবহুল এসি বাস (যেমন: গ্রিন লাইন, সোহাগ, হানিফ, এস.আলম) পাওয়া যায়।

  • সময়: ট্রাফিক ভেদে সাধারণত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে।

  • ভাড়া: নন-এসি সাধারণত ১০০০-১২০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ২০০০-৩০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

২. বিমানে ভ্রমণ (Airway)

সবচেয়ে দ্রুত এবং আরামদায়ক উপায়ে পৌঁছাতে চাইলে বিমান সেরা বিকল্প। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজার বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হয়।

  • এয়ারলাইন্স: বিমান বাংলাদেশ, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং এয়ার অ্যাস্ট্রা নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে।

  • সময়: ঢাকা থেকে মাত্র ১ ঘণ্টা বা তার কিছু কম সময়ে পৌঁছানো যায়।

  • ভাড়া: বুকিংয়ের সময়ের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত ৪,৫০০ থেকে ১০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

৩. ট্রেনে ভ্রমণ (Railway)

ট্রেনপ্রেমীদের জন্য এখন সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার চমৎকার ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা থেকে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ এবং ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ নামে দুটি আধুনিক বিরতিহীন ট্রেন চলাচল করে।

  • রুট: এই ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে ছেড়ে সরাসরি কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায় (মাঝে অল্প কিছু স্টেশনে বিরতি দেয়)।

  • সুবিধা: ট্রেনের জানালা দিয়ে পাহাড় আর প্রকৃতির দৃশ্য দেখতে দেখতে ভ্রমণ করা যায়।

  • ভাড়া: সিটের ধরন অনুযায়ী (শোভন চেয়ার থেকে এসি বার্থ) ভাড়া ৭০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

৪. Rent a car এর মাধ্যমে পারসোনালভাবে সরাসরি ঢাকায় থেকে অথবা বাংলাদেশের যকোন স্থান থেকে সরাসরি যেতে পারবেন। 

কক্সবাজার ভ্রমণ খরচ | Travel Cost Cox’s Bazar

খরচের ধরন

আনুমানিক

বাস ভাড়া

৮০০–২০০০ টাকা

হোটেল

১৫০০–১০,০০০ টাকা

খাবার

৩০০–১০০০ টাকা

Best Time to Visit Cox’s Bazar

নভেম্বর থেকে মার্চ হলো best time to visit Cox’s Bazar। এই সময়ে আবহাওয়া ঠান্ডা ও আরামদায়ক থাকে।

থাকার ব্যবস্থা | Hotels in Cox’s Bazar

  • beach view hotel Cox’s Bazar
  • budget hotel Cox’s Bazar
  • luxury resort Cox’s Bazar

আপনি আপনার বাজেট অনুযায়ী সহজেই হোটেল খুঁজে পাবেন।

FAQ 

❓ কক্সবাজার ভ্রমণের সেরা সময় কোনটি?

👉 নভেম্বর–মার্চ

❓ কক্সবাজারে কত খরচ লাগে?

👉 ৫০০০–১৫,০০০ টাকার মধ্যে একটি ভালো ট্যুর করা যায়

❓ কক্সবাজারে কী কী দেখা যায়?

👉 সমুদ্র সৈকত, ইনানী বিচ, সেন্ট মার্টিন, মেরিন ড্রাইভ

Airport Car Rental
Book your airport car rental in minutes! Enjoy a wide...